তিনি বলেন, আঞ্চলিক সমস্যাগুলো সংলাপ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও নিজস্ব সক্ষমতার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার এবং অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, বৈজ্ঞানিক ও জ্ঞানভিত্তিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ইরানে নিযুক্ত পাকিস্তানের নতুন রাষ্ট্রদূত ড. ইমরান আহমদ সিদ্দিকি সম্প্রতি তেহরানে হযরত আবদুল আজিম (আ.)-এর পবিত্র মাজারে গিয়ে মাজারের তত্ত্বাবধায়ক সাইয়্যেদ আলী কাজী আসকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।
সাক্ষাতে কাজী আসকার পাকিস্তানের সঙ্গে জিয়ারত, শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে মাজার কর্তৃপক্ষের আগ্রহের কথা জানান।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত বলেন, আহলে বাইত (আ.) ও ইমামজাদাদের প্রতি বিভিন্ন ইসলামী মাজহাবের অনুসারীদের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তিনি মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক আস্থা, মধ্যপন্থা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি ইরান-পাকিস্তান সম্পর্ককে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, সভ্যতাগত ও ধর্মীয় অভিন্নতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ক হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে পাকিস্তানি জিয়ারতকারীদের সহযোগিতা এবং দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে দূতাবাসের প্রস্তুতির কথা জানান।
সাক্ষাতে পাকিস্তানি শিল্পীদের ক্যালিগ্রাফি, চিত্রকর্ম ও ইসলামী শিল্পকর্ম নিয়ে হযরত আবদুল আজিম (আ.)-এর পবিত্র মাজারে একটি প্রদর্শনী আয়োজনের প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রদূত। মাজার কর্তৃপক্ষ এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানায়।
কাজী আসকার বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা শুধু মতবিনিময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মসূচি ও কার্যকর সহযোগিতায় রূপ দিতে হবে। জিয়ারত, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, গবেষণা, শিল্পকলা ও পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সাক্ষাতের শেষে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ও তাঁর সফরসঙ্গীরা পবিত্র মাজার জিয়ারত, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং মাজারের জাদুঘর ও ঐতিহাসিক-শিল্পকর্মের সংগ্রহ পরিদর্শন করেন।
আপনার কমেন্ট